Breaking News

বু’দ্ধি বা’ড়াতে একান্ত জ’রুরি ৮ টিপস

মানুষের ব’য়স বাড়ার স’ঙ্গে স’ঙ্গে যুক্তি প্রখরতা বা বিশ্লেষণী ক্ষ’মতা কমতে থাকে। তবে

ভ’য়ের কিছু নেই। কিছু বি’ষয় মেনে চললে মগজে’র শ’ক্তি বাড়ে। আসুন জে’নে নেই এই অপরিহার্য বি’ষয়গুলো।

১. ব্যায়ামে মস্তিষ্কের আ’কার বাড়ে
শ’রীরচর্চা করলে দে’হের পেশির সাথে সাথে মস্তিষ্কের আ’কারও বৃ’দ্ধি পায়। ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের সিন্যাপসের সংখ্যা বাড়ে। এর ফলে মগজে নতুন নতুন কোষ তৈরি হয়।

আর কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়ামের ফলে মগজে বেশি হারে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ সরবরাহ হয়। আর আপনি যদি খোলা জায়গায় ব্যায়াম করেন, তাহলে বাড়তি পাওনা হলো ভিটামিন ডি।

২. হাঁটাচলায় বাড়ে স্মৃ’তিশ’ক্তি
বাগান করার মধ্য দিয়ে শ’রীরের ব্যাঢিাম হয়, তেমনি মনেরও ব্যায়াম হয়। বহু গবে’ষণায় এটা প্রমাণিত। অভিনেতারাও এই কাজটা করে থাকেন। কোন শব্দ বা বাক্য যদি আপনি

হেঁটে হেঁটে মুখস্থ করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা বহুদিন ধ’রে আপনার মনে থাকবে।

৩. মগজে’র শ’ক্তির জন্য বেছে নিন সঠিক খাবার
আপনার পাকস্থলী ঠিক মানে আপনার মগজও ঠিক। আপনার খাবারের ২০% শর্করা এবং শ’ক্তি আপনার মস্তিষ্কে যায়। মস্তিষ্কের কাজে’র পুরোটাই নির্ভর করে তার গ্লুকোজে’র মাত্রার ও’পর।

শ’রীরে গ্লুকোজে’র মাত্রায় হেরফের হলে আপনার মনেও দেখা দিতে পারে নানা স’মস্যা।যেসব খাবার আপনারা খুব পছন্দ সেগুলো খেলে আপনার মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড

এরিয়ায়’ ডোপামিন রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আপনার মনে খুশি খুশি ভাব হয়।

কিন্তু মস্তিষ্কের শ’ক্তিবৃ’দ্ধির পাশাপাশি আপনার পে’টের দিকেও নজর রাখতে হবে।মানুষের দে’হের পরিপাকতন্ত্রে একশো ট্রিলিয়নেরও বেশি অণুজীব বসবাস করে। এরা আপনার মস্তিষ্কের স’ঙ্গেও সংযোগ র’ক্ষা করে।

মগজে’র সু’স্থতার জন্য এই অণুজীবগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুব জ’রুরি। আ’সলে, পাকস্থলীকে অনেক সময় ‘দ্বিতীয় মগজ’ বলে ঢাকা হয়।পে’টে নানা ধ’রনের

স্বা’স্থ্যকর খাবার ঢুকলে এসব অণুজীবের মাধ্যমে তার সুফল মস্তিষ্কে পর্যন্ত পৌঁছায়।

৪. খুঁজে নিন অবসর
স্বল্প মাত্রার মা’নসিক চা’প আ’সলে স্বা’স্থ্যের জন্য ভাল। এতে বি’পদের সময় বা জ’রুরি প্রয়োজনে প’রিস্থিতিকে দ্রু’ত মো’কাবেলার শ’ক্তি পাওয়া যায়।

কর্টিসল বলে হরমোনের কারণে দে’হ-মন চাঙা হয় এবং মনোযোগের একাগ্রতা বাড়ে।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধ’রে মা’নসিক চা’প এবং উ’দ্বেগ মস্তিস্কের জন্য খুবই খা’রাপ। সুতরাং, কাজে’র ফাঁকে অবসরের সময় বের করা খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ।

আপনার মস্তিষ্ককে অবসর দিয়ে, এবং নিজেকে মূ’লত: সুইচ অফ করে, আপনি আপনার মগজে’র ভিন্ন একটি অংশকে ব্যায়াম করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

এরপর যদি কেউ দেখে যে আপনি কাজে’র মধ্যে বসে দিবাস্বপ্ন দেখছেন তখন আপনি বলতে পারবেন যে আপনি মস্তিষ্কের ভ্ন্নি একটি অংশের ব্যায়াম করছিলেন।এগুলো আপনার দে’হের স্ট্রে’স হরমোন কমাতে সাহায্য করবে।

৫. নতুন কিছু করুন
মগজে’র শ’ক্তি বৃ’দ্ধির একটা পথ হলো নতুন কোন কাজ করার জন্য মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জ করা। ছবি আঁকা কিংবা বিদেশি ভাষা শিক্ষার মধ্য দিয়ে এটা করা সম্ভব।

৬. সুরের মাঝে শ’ক্তি
সুরের মাধ্যমে জেগে ওঠে মস্তিষ্ক। বাড়ে মেধা। স’ঙ্গীত যে মস্তিষ্ককে উ’ত্তেজিত ক’রতে পারে, তার প্রমাণ রয়েছে। কেউ গান শোনার সময় যদি তার মস্তিষ্কের ছবি তোলা যায়,

তাহলে দেখা যাবে পুরো মস্তিষ্ক সুরের প্র’ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেমস্তিষ্ক স’ঙ্গীতের স্মৃ’তি দীর্ঘদিন ধ’রে রাখতে পারে।এটা ডিমেনশিয়ার মত মা’নসিক অবস্থা ঠে’কাতে বেশ কা’র্যকরী।

৭.বি’ছানায় শুয়ে পরীক্ষার পড়া
বি’ছানার ও’পর শুয়ে-বসে পড়ার সুফল রয়েছে। দিনের বেলা যখন আপনি নতুন কিছু

শিখছেন, তখন আপনার মস্তিষ্কে এক স্নায়ুকোষের সাথে নতুন একটি স্নায়ুকোষের সংযোগ তৈরি হয়।

আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখন সেই সংযোগ আরও জো’রদার হয়। এবং যা শিখেছেন তা স্মৃ’তি হিসেবে জমা হয়।এক পরীক্ষায় জা’না যাচ্ছে, আপনি যদি শোবার আগে

কাউকে একটা লিস্ট দিয়ে বলেন সেটা মুখস্থ ক’রতে, তাহলে পরদিন সকালে সে সেটা খুব সহজেই মনে ক’রতে পারবে।

কিন্তু যদি সেই একই লিস্ট সকাল বেলা দিয়ে বলেন সন্ধ্যের সময় মুখস্থ বলতে তাহলে

সেটা মনে করা বেশ ক’ঠিন হবে।তবে কোন দু:খের স্মৃ’তি নিয়ে শোবার সময় চিন্তাভাবনা না করাই ভাল।

এতে মস্তিষ্কের ও’পর নেতিবাচক প্র’ভাব পড়ে।একই কারণে শোবার আগে হরর ছবি

দেখাও বারণ।এর বদলে সারা দিনের যেসব ভাল ঘ’টনা ঘ’টেছে, সেগুলো মনে করার চেষ্টা করুন।

৮. ঘুম যখন ভাঙল
দিনের শুরুর সাথে তাল মিলিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠুন।ঘুমের গু’রুত্ব সম্প’র্কে নতুন

করে কিছু বলার নেই। দৈনিক পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক সজাগ হওয়ার সময় পায় না।

কিন্তু দিনের পুরোটাকে ভালভাবে কাজে লা’গানোর চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে কিভাবে আপনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন তার মধ্যে।স’বচেয়ে ভাল হয় ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘর

অন্ধকার থাকলে, এবং প্রভাতে দিনের আলো বাড়ার সাথে সাথে জেগে উঠতে হয়।সূর্যের

কিরণ যখন আপনার ব’ন্ধ চোখের পাতা ভেদ করে ঢুকে পড়ে, তখন সেটা মস্তিষ্ককে কর্টিসল হরমোন ছড়িয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে।

Check Also

ধারের টাকায় করা ভ্যানচালকের লেবুর বাগান এক রাতেই শেষ

নাটোরের বড়াইগ্রামে আব্বাস আলী (৩৮) নামে এক দরি’দ্র ভ্যানচালক ধার দেনা করে একটি লেবু বাগান …